কৃষ্ণচূড়া নেই
কৃষ্ণচূড়া নেই
বসন্ত এসেছে, ধুলোবালি মেখে রঙিন হয়ে উঠেছে পৃথিবী।
আমার উঠোনে কোকিলের ডাক, আম্রকুঞ্জের মিষ্টি গন্ধ, বাতাসে উড়ে আসা কৃষ্ণচূড়ার কল্পনা। তবু,
আমার আঙিনায় কৃষ্ণচূড়া নেই।
তুমি কি জানো, কৃষ্ণচূড়ার অভাব কতটা ব্যথার? বসন্তের আকাশ যখন আগুন রঙে রাঙে, তখন আমার
বুকের ভেতর শূন্যতা বাজে।
যেন তুমি আছো, তোমার হাসি আছো, অথচ তোমার হাত নেই আমার হাতে।
কোকিলের গানে যে তৃষ্ণা জাগে, সে তৃষ্ণা মেটে না, যদি কৃষ্ণচূড়া না ফোটে। প্রেমের মতোই তো, শুধু
শব্দে, শুধু গন্ধে কি সম্পর্ক পূর্ণ হয়? ছোঁয়া লাগে, চোখের চাহনি লাগে, লাগে একসঙ্গে বসে থাকা
কৃষ্ণচূড়ার ছায়ায়।
তুমি কি আসবে একদিন? আমার উঠোনে, যেখানে বসন্ত এসে দাঁড়িয়েছে একা? তুমি কি আমার জন্য
একগাছি কৃষ্ণচূড়া এনে দেবে? বলবে, “নাও, এ তোমার বসন্তের রং।” আমি সেই লালে আমার ভালোবাসা
রাঙিয়ে দেবো।
তখন হয়তো বসন্ত সম্পূর্ণ হবে। কোকিল ডাকবে, বাতাসে উড়বে কৃষ্ণচূড়ার পাপড়ি, আর আমি তোমার
হাত ধরে বলব— এখন আমার বসন্ত পূর্ণ, এখন আমার কৃষ্ণচূড়া ফুটেছে।
কলমে : ধার্মিক

Comments
Post a Comment