না থেকেও কেউ কেউ থেকে যায়
না থেকেও কেউ কেউ থেকে যায়
না থেকেও কেউ কেউ থেকে যায়।
অভিমানে জমে থাকা একাকীত্বের মতো, অপ্রকাশিত চিঠির ভাঁজে লুকিয়ে থাকা শব্দের মতো।
প্রতিদিনের সূর্যোদয় আর অস্তাচলের মাঝখানে একটা ফাঁকা চেয়ার পড়ে থাকে—
যেখানে সে বসতো এককালে, যেখানে গল্প জমতো, যেখানে নিঃশব্দে হাত ধরা হয়ে যেতো।
না থেকেও কেউ কেউ থেকে যায়, অপেক্ষার অলিখিত পাতায়, পরিচিত পারফিউমের ঘ্রাণে ভেসে আসে
স্মৃতি, যা ভুলতে চেয়েও ভুলে যাওয়া যায় না।
হঠাৎ করেই রাস্তার মোড়ে, বইয়ের পুরোনো পৃষ্ঠায়, কিংবা কোনো অচেনা শহরের কফিশপে—
তার ছায়া পড়ে যায়, তার অনুপস্থিতি উপস্থিত হয়ে ওঠে।
কেউ কেউ থেকে যায়, আক্ষেপের দীর্ঘশ্বাস হয়ে, কখনো অসমাপ্ত গান হয়ে, কখনো ভেজা চোখের সন্ধ্যা হয়ে।
তারা আর ফিরে আসে না, তবু রয়ে যায়—
হৃদয়ের গোপন অলিন্দে, সময় থমকে থাকা কিছু মুহূর্তের গভীরে।
কলমে : ধার্মিক

Comments
Post a Comment